৩০ কেজির বস্তায় ২৫ কেজি চাল

কুড়িগ্রাম সংবাদদাতা: কুড়িগ্রামের কচাকাটায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ১০ টাকা কেজি চাল বিতরণে কম দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ডিলারের বিরুদ্ধে। সুবিধাভোগীদের অভিযোগ ৩০ কেজির বস্তায় চাল রয়েছে ২৫ থেকে ২৬ কেজি। প্রতিবারই এই ডিলার চাল কম দিয়ে আসলেও কর্তৃপক্ষ দেখেও এড়িয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগটি উঠেছে উপজেলার বল্লভের খাষ ইউনিয়নের গাবতলা এলাকার ডিলার মনিরুজ্জামান মনিরের বিরুদ্ধে। সুবিধাভোগীদের অভিযোগ, প্রতি বস্তায় ৩০ কেজি চাল থাকলেও মনির নিজ গোডাউনে এনে ৪ থেকে ৫ কেজি চাল কৌশলে নামিয়ে রাখেন। পরে ওইসব বস্তা ৩০ কেজি ধরে ৩০০ টাকা নিয়ে গ্রাহকদের দেন।

রবিবার (১১ নভেম্বর) সকালে গাবতলা বাজারে চাল বিতরণকালে সরেজমিনে গিয়ে বস্তায় ২৫ থেকে ২৬ কেজি চাল পাওয়া যায়।

ইউনিয়নটির মোল্লাপাড়া গ্রামের সুবিধাভোগী আনসার আলী জানান, প্রতিবার তারা চাল কম পাচ্ছেন। অভিযোগ দিলেও ব্যবস্থা নেয়া হয় না। একই অভিযোগ ভিতরবন্দ গ্রামের সুবিধাভোগী মহির উদ্দিন, দেওয়ানজাগীর ছোমেদ আলী, চর বলারামপুরের বারেক ও মোল্লাপাড়ার হালিমা বেগমের। তারা বলেন, যা পাই তাই নিয়ে যাই, এছাড়া আমাদের মতো গরীবের আর কি করার আছে।

বিতরণকালে উপস্থিত ট্যাগ অফিসার উপসহকারী ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা শাহানুর ইসলাম চাল কম দেয়ার ব্যাপারে বলেন, ৩০ কেজির বস্তায় ৪/৫ কেজি চাল কম রয়েছে এমন দেখতে পেয়ে বিতরণ বন্ধ করার নির্দেশ দিলেও ডিলার মানেননি।

ডিলার মনির বলেন, আমরা যে রকম বস্তা উপজেলা গুদাম থেকে পেয়েছি সেরকমই বিতরণ করছি। চাল কম আছে কি না জানি না। ডিলার মনির ৪৬৩ জন সুবিধাভোগীর বিপরীতে ১৩ হাজার ৮৯০ কেজি চাল উত্তোলন করেছেন।

গুদাম পরিদর্শক আশরাফুল ইসলাম জানান, আমরা সঠিক পরিমানে চাল দিয়েছি। প্রতি বস্তায় ৩০ কেজির নিচে চাল থাকবে না। ৩০ কেজি করেই বিতরণ করতে হবে ডিলারদের।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শংকর কুমার বিশ্বাস জানান, চাল কম দেয়ার অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অভিযোগ রয়েছে উপজেলায় সব ইউনিয়নে ২৮ কেজির বেশি চাল বিতরণ করা হয়নি।

আরোও পড়ুন

রংপুরে অপহৃত ২ ব্যবসায়ীকে উদ্ধার
দিনাজপুরে জেএমবির সামরিক কমান্ডারসহ আটক ২
বিশ্ব মিডিয়ায় ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার রায়

Share Button