সোমবার থেকে মোবাইল নম্বর এমএনপি সেবা

নিজস্ব প্রতিবেদক: আগামী সোমবার থেকে নম্বর অপরিবর্তিত রেখে অপারেটর বদল করতে পারবেন। দেশে প্রথমবারের মতো চালু হচ্ছে মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি বা এমএনপি সেবা। এর মাধ্যমে গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের গ্রাহকেরা একে অন্যের নেটওয়ার্কে গিয়ে তাদের কলরেট ও ইন্টারনেট প্যাকেজ ব্যবহার করতে পারবেন, কিন্তু নম্বর থাকবে আগেরটাই।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) মঙ্গলবার মোবাইল অপারেটরগুলোকে চিঠি দিয়ে এমএনপি সেবা চালুর দিনক্ষণ জানিয়ে দিয়েছে। এমএনপি সেবার দায়িত্ব পাওয়া প্রতিষ্ঠান ইনফোজিলিয়ন টেলিটেক-বিডি জানিয়েছে, ৩০ সেপ্টেম্বর অর্থাৎ রোববার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে এ সেবা চালু হবে। ১ অক্টোবর, অর্থাৎ সোমবার থেকে কোনো গ্রাহক অপারেটর বদল করতে চাইলে তাঁকে সংশ্লিষ্ট অপারেটরের (যেটায় যেতে আগ্রহী) কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে গিয়ে নতুন একটি সিম (নম্বর আগেরটাই) নিতে হবে। এই সিম পরবর্তী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে চালু হবে।

এদিকে সেবাটি চালুর আগেই গ্রাহকের মাশুল বা ফি বাড়িয়ে দিয়েছে বিটিআরসি। প্রতিবার নম্বর বদলাতে গ্রাহককে ফি হিসেবে ৫০ টাকা দিতে হবে, যা এত দিন ৩০ টাকার কথা বলা হয়েছিল। অবশ্য একবার অপারেটর বদলাতে সব মিলিয়ে গ্রাহকের ব্যয় হবে ১৫৭ টাকা ৫০ পয়সা। এর মধ্যে এমএনপি সেবার ফি ৫০ টাকা ও তার ওপর ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট বাবদ সাড়ে ৭ টাকা এবং সিম পরিবর্তন বা রিপ্লেসমেন্টের বিপরীতে কর ১০০ টাকা।

অপারেটররা বলছে, প্রতিবার অপারেটর বদলাতে নতুন সিম নিতে হবে। এ জন্য কর গ্রাহককেই দিতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপারেটর বদলাতে চাইলে ব্যয় হবে ২৫৮ টাকা। কারণ, দ্রুত সেবা দেওয়ার জন্য ইনফোজিলিয়ন ১০০ টাকা বাড়তি নেবে গ্রাহকদের কাছ থেকে।
একবার অপারেটর পরিবর্তন করে অন্য অপারেটরে গেলে ৯০ দিন সেখানে থাকতে হবে। অর্থাৎ, অপারেটর পরিবর্তন করার পর যদি মনে হয় নতুন অপারেটরের সেবা ভালো নয়, তারপরও গ্রাহক নির্দিষ্ট সময়ের আগে অপারেটর বদলাতে পারবেন না।

Share Button