শুধু একটি মেয়ের জন্যই ট্রেন থামে যে স্টেশনে

জন মানবহীন একটি এলাকায় রেল স্টেশন। প্রতিদিন সময় মতো ট্রেন থামে এখানে। আর কোনো যাত্রী না থাকলেও শুধুমাত্র একটি মেয়ে এই স্টেশনটি থেকে স্কুলে যাতায়াত করে। আর তাকে আনা-নেয়া করতেই স্টেশনটি চালু রেখেছে রেল কর্তৃপক্ষ।

জাপানের দ্বিতীয় বৃহত্তম হোক্কাইডো দ্বীপের একেবারে উত্তর প্রান্তে রয়েছে কামি শিরাতাকি স্টেশন। স্টেশনটি যে এলাকায় অবস্থিত তাকে অজ পাড়াগাঁয়ের বেশি বলা যাবে না।

ওই এলাকা দিয়ে যাওয়া রেল লাইন দিয়ে হাতেগোনা কয়েকটি ট্রেন চলে। যাতায়াতের জন্য অন্যান্য মাধ্যম থাকায় স্টেশনটি অব্যবহৃতই থেকে যায়। এ কারণেই রেল মন্ত্রণালয় ওই স্টেশনটি বন্ধ করে দেয়ার পরিকল্পনা করে।

কিন্তু জরিপ চালানোর পর পরিদর্শকরা লক্ষ্য করেন, আর কোনো যাত্রী না পাওয়া গেলে কি হবে-একটি মেয়ে সারা বছর এই ট্রেন ধরে স্কুলে যাতায়াত করে। ট্রেন না চললে তার স্কুলে পৌঁছাতে কষ্ট হবে। তাই ওই ছাত্রীর জন্যই একটি গোটা স্টেশন চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

শুধু তাই নয়, মেয়েটি যাতে সঠিক সময়ে স্কুলে পৌঁছাতে পারে তার জন্য ট্রেনের সময়সূচিও পাল্টে দেয়া হয়েছে। সারাদিনে ওই একটি ট্রেন তাকে স্কুলে পৌঁছে দেয় এবং বিকেলে তাকে আবারো ওই জনহীন স্টেশনে নামিয়ে দিয়ে যায়। কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যদি আর যাত্রী নাও পাওয়া যায়, যতোদিন না মেয়েটি স্নাতক হচ্ছে, ততোদিন এই রুটের ট্রেন সার্ভিস চালু রাখা হবে।

একটি মাত্র গাছে শতাধিক মৌচাক ! প্রাথমিকভাবে অবিশ্বাস্য মনে হলেও কথাটি সত্য। ঘটনাটি ঘটেছে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গজনী অবকাশ কেন্দ্রের একটি বটগাছে।

ওই বটগাছটির বয়স একশ’ বছরেরও বেশি বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা। গাছটি ঘিরেই ১৯৯৩ সালে গড়ে ওঠে পিকনিক স্পট গজনী অবকাশ কেন্দ্র।গাছটির ডালপালা ভেঙে গিয়ে এখন প্রায় বিলুপ্তের পথে। যতটুকুই রয়েছে তাতে শতাধিক মৌচাক বসেছে। গারো পাহাড়ের বন উজাড় হওয়ায় মৌমাছি চাক বাঁধার জায়গার সংকটে পড়েছে। তাই এ ধরণের গাছে মৌচাক বাঁধতে দেখা যাচ্ছে বেশি। মৌচাকগুলো মাঝে মধ্যে দুর্বৃত্তরা কেটে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

স্থানীয় অভিজ্ঞ মহলের মতে, সংরক্ষণ করা হলে মৌচাক আরো বৃদ্ধি পাবে। মৌচাকগুলো গজনী অবকাশ কেন্দ্রের আকর্ষণ বাড়িয়ে তুলেছে। এসব মৌচাক দেখার জন্য প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে অসংখ্য লোক ভিড় করছে।

Share Button