দর্শনিয় স্থান হয়ে উঠেছে কল্পনা পিকনিক স্পট

জুনাইদ কবির , ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁও শহর থেকে মাত্র ৫ কিলোমিটার দূরে ৩ নং আকছাি ইউনিয়নের পুরাতন ঠাকুরগাঁও বুরিবাধ এলাকায় সুখ নদির
পার্শে¦ অবস্থিত কল্পনা পিকনিক স্পট পার্কটি নজর কেড়েছে বিনোদন পিপাশু দর্শনার্থী ও প্রকৃতি প্রেমিদের । 
নজর কারার কারন হিসেব এই পার্কে রয়েছে পাম গাছের বিস্তৃর্ণ বাগান এবং শিক্ষা মূলক ভাস্কর্য সহ নানা রকম বিলুপ্ত হওয়া প্রাণীর ভাস্কর্য যেন স্বাগত জানাতে মরিয়া হয়ে আছে একেকটা দর্শনার্থীকে । পাখির কিচির মিচির শব্দের সাথে যেন মন মিশে একাকার দর্শনার্থীদের। সবুজ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সাজে যেন সেজেছে এ পার্কটি।


এ অঞ্চলের মানুষের বিনোদনের কথা ভেবে নিজ উদ্যোগে ১০ একর জামির উপর পার্কটি প্রতিষ্ঠা করেন । কল্পনা পিকনিক স্পট এর পরিচালক মো: মোমিন জানায় শুক্রবার সহ বিভিন্ন দিবস এবং ছটির দিনে পার্কটিতে প্রকৃতি প্রেমিদের ভির অনেক বেশি হয় । ঠাকুরগাঁও জেলা ছারাও অন্যান্য জেলার অনেক ব্যক্তি স্ব-পরিবারে কল্পনা পিকনিক স্পট পার্কে আসছেন সময় কাটাতে। তাদের মধ্যে কেউ, শিক্ষক, কেউ আইনজীবি, কেউ আবার সরকারি চাকুরিজীবি। শুধু বিনোদন নয় পার্কটিতে ঘুরলে দেখা যায় এবং শেখা যায় শিক্ষনীয় অনেক কিছু এমনটি জানালে একাধিক দর্শনার্থী।

পার্কে ঘুরার পর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন দর্শনার্থী সারওয়ারর্দী । তিনি জানান, ছুটির দিনে বা অবসর সময় কাটানোর জন্য প্রকৃতি বান্ধব জায়গা হলো কল্পনা পিকনিক স্পট পার্ক।
এখানে সব বয়সী মানুষ বেড়াতে এসে একদিকে যেমন বিনোদিত হবে অন্যদিকে প্রকৃতির ভালোবাসায় হারিয়ে যেতে ইচ্ছে করবে। সামাজিক কুলশতার বিরুদ্ধে এবং অনেক নৈতিকতার পক্ষে এ পার্কটি ব্যপক অর্থ বহন করে। বিশেষ করে এ পার্কটি একটি শিশুর মেধা বিকাশে ব্যপক ভূমিকা পালন করে। এখানে শিশুদের জন্য যেমন রয়েছে খেলাধুলার ব্যবস্থা তেমনি রয়েছে তাদের জানানোর জন্য নানা অজানা তথ্য এবং পার্কে প্রথম গেটের পাশেই রয়েছে নামাজের স্থান ।

আরেক দর্শনার্থী রায়হান কবির জানান, আমি এখানকার মনো মুদ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ দেখে বিনোদিত হয়েছি । এখানে এমন কিছু ভাস্কর্য রয়েছে যেগুলো সত্যি অসাধারন। আমি বলতে চাই কল্পনা পিকনিক স্পট পার্কটি শুধু একটি বিনোদন কেন্দ্র নয় এটি সব বয়সী মানুষের জন্য একটি শিক্ষা কেন্দ্রও বটে।
পার্কটির ব্যপারে জানতে চাইলে পার্কটির পরিচালক মো: মমিন বলেন , বাণিজ্যের কথা চিন্তা করে নয় বরং শিক্ষা ও বিনোদনের কথা মাথায় রেখে আমি এ পার্কটি পরিচালনা করছি । নানা প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতার সাথে সংগ্রাম করে আমি নিজ প্রচেষ্টায় এ পার্কটি এখনো বাঁচিয়ে রেখেছি। একটি সুস্থ ও পরিবেশ বান্ধব সামাজিক বিনোদনের কেন্দ্রস্থল হিসেবে এ পার্কটির মাধ্যমে মানুষের মাঝে আমি বেঁচে থাকতে চাই অনন্তকাল। তিনি বলেন এই পার্কে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হওয়ার কোন সুযোগ নেই। কারন এখানে সব সময় দর্শনার্থীদের ভালোমন্দ দেখাশোনা করার জন্য প্রতিনিয়ত একাধিক স্টাফ তদারকি করে থাকেন।
শিশুদের বিনোদনের ক্ষেত্রে পার্কের জনপ্রিয়তার ব্যাপারে জানাতে চাইলে তিনি বলেন, এখানে বিশেষ করে প্রকৃকি প্রেমিও শিশুদের বিনোদনের কথা চিন্তা করে আমি পার্কটি সাজানোর চেষ্টা করে চলেছি। শিশুদের জন্য রয়েছে খেলাধূলা ও বিনোদনের ব্যবস্থা এবং রয়েছে একটি চিরিয়াখানা।  পার্কে যেসব ভাস্কর্য ও বিভিন্ন সাইনবোর্ডে শিক্ষামূলক কথা রয়েছে তা একটি শিশুর মেধা বিকাশে ও তাদের দেশ ও দশের প্রতি দায়িত্ব করে তুলতে ব্যপক ভূমিকা পালন করবে। এছাড়াও কল্পনা পিকনিক স্পট পার্কে দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে রয়েছে প্রয়োজনীয় খাবারের ব্যবস্থা ও নামাজের স্থান। এই পার্কে বনভোজন, জন্মদিন, বিবাহ সহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানও করা যায় এমনটিও জানালেন পার্কটির প্রতিষ্ঠাতা।
এ সময় তিনি সবাইকে একবার হলেও কল্পনা পিকনিক স্পট পার্কটি ঘুরে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান।

 

এ বিভাগে আরোও আছে

পর্যটন শিল্পে মৌলভীবাজার
হাফপ্যান্ট পরিহিত নারী পুলিশ!
এই শীতে ঘুরতে যাই চায়ের রাজধানী দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশে
গাছের ডালে বাসা বেঁধেছে নানা প্রজাতির পাখি

Share Button