জয়পুরহাটে ৩ হাজার ৪৮৭ হেক্টর বোরো বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ

জয়পুরহাট সংবাদদাতা: জেলায় চলতি ২০১৮-২০১৯ রবি ফসল চাষ মৌসুমে বোরো চাষ সফল করতে ৩ হাজার ৪শ ৮৭ হেক্টর জমিতে বোরো বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় এবার ৬৮ হাজার ৫শ ৭১ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্থানিয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। বোরো চাষ সফল করতে বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয় ৩ হাজার ৪ শ ৮৭ হেক্টর। ইতোমধ্যে এক হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
কৃষি বিভাগ জানায়, বোরো বীজ গুলোর মধ্যে রয়েছে বিআর- ১৬, ২৮, বিআর-২৯ ও ব্রি-ধান ৫০, ৫৮ ও ৫৯। কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের বোরো বীজ সরবরাহ করেছে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন। নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্রসহ জেলার ১শ ১৪ জন বীজ ডিলারের মাধ্যম ২শ ৭ মেট্রিক টন বীজ বিক্রি করা হয়েছে । চলতি মৌসুমে বোরো চাষ সফল করতে মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানান জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুধেন্দ্র নাথ রায়।
খাদ্যে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে চলতি ২০১৮-২০১৯ রবি ফসল চাষ মৌসুমে ৬৮ হাজার ৫ শ ৭১ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। বোরো চাষ সফল করতে বর্তমানে জেলার কৃষকরা বোরো বীজতলা তৈরি করছেন কৃষি বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে। স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় এবার ৬৮ হাজার ৫ শ ৭১ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে উচ্চ ফলনশীল (উফশী) জাতের ৫৭ হাজার ৫শ ৬৩ হেক্টর ও হাইব্রিড জাতের রয়েছে ১১ হাজার ৮ হেক্টর জমি। এতে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ৭৭ হাজার ৯ শ ৩৫ মে.টন।
জেলায় বোরো ধান চাষ সফল করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগ সারের চাহিদা নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউরিয়া ১৮ হাজার ৭শ ২০ মে. টন, টিএসপি ১৪ হাজার ৪শ মে. টন, এমওপি ৯ হাজার ৫শ ৭৬ মে. টন, জিপসাম ৯ হাজার মে. টন ও জিংক সার ৭শ ৯২ মে. টন। স্থানীয় ব্যাংক বিশেষ করে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক বোরোসহ অন্যান্য শীতকালীন ফসল চাষের কৃষকের মাঝে কৃষি ঋণ বিতরণের ব্যাপক উদ্যোগ নিয়েছে।

Share Button