চুর্ণ-বিচুর্ণ কংক্রীটে পরিণত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সংগঠন জালালাবাদ এসোসিয়েশন

মেহেদী হাসান: আনহার আহমদ সমশাদ পেশায় সাংবাদিক। তৃনমূল থেকে উঠে আসা সাংবাদিক সমশাদ সাংবাদিকতার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। মৌলভীবাজার তথা সিলেটবাসীর অহংকার। একজন প্রতিবাদী যুবক। সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল এক যুবকের নাম আনহার আহমদ সমশাদ।

আনহার আহমদ সমশাদ কয়েস সামি- নাসির উদ্দিন আহমেদ মিঠু – এড. জসিম উদ্দিন আহমেদ ও নাজমুল ইসলাম নাজ প্যানেল থেকে সদস্য (জালালাবাদ)’ পদে তিনি প্রতিদ্বন্ধিতা করছেন। জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সিলেটবাসীর কল্যাণে কাজ করতে আগ্রহী। এই আকাংখা থেকে এবারের আসন্ন জালালাবাদ এসোসিয়েশনের নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।

তিনি শিক্ষা-স্বাস্থ্য, কর্মদক্ষতার লক্ষ্যে মৌলভীবাজার সমাজ কল্যাণ সংস্থা কর্তৃক পরিচালিত বর্ণকুঁড়ি শিশু পাঠশালার মাধ্যমে বিভিন্ন চা বাগানের চা শ্রমিক শিশুদের শিক্ষার উন্নয়নে স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। নিয়মিত চলছে প্রেমনগর চা বাগান, মিরতিংঙ্গা চা বাগান, ভাড়াউড়া চা বাগান সমূহে পাঠ দান ও প্রশিক্ষণ। তিনি এই প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী পরিচালক।

মৌলভীবাজারের বহুল প্রচারিত সাপ্তাহিক দেশপক্ষ পত্রিকা নির্বাহী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন, তিনি একজন সফল সংগঠক হিসেবে সর্বমহলে পরিচিত। মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের প্রচার সম্পাদক, কোষাধক্ষ্য এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়ে নিষ্টার সাথে দায়িত্ব পালন করেনে। মৌলভীবাজারে একজন দক্ষ টেলিভিশন সাংবাদিক হিসেবে সর্বমহলে সমাদৃত। এক যুগের উপরে কাজ করেন চ্যানেল এস ইউকে, একুশে টেলিভিশন এবং ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনে।

স্থানীয় ক্যাবল টিভি এমসিএস এর মাধ্যমে তার প্রযোজনায় সম্প্রচারিত হয় সংবাদ, টক-শো সহ নিয়মিত অনুষ্ঠান। আমাদের মৌলভীবাজার ও এ সপ্তাহের মৌলভীবাজার।সিলেটের সাংবাদিকদের ঐক্য ধরে রাখতে ও পেশাগত মান উন্নয়নে তিনি কাজ করছেন।

সিলেট বিভাগের বিভিন্ন প্রেসক্লাবে মানবাধিকার সাংবাদিক ফোরামের উদ্যোগে প্রশিক্ষন ও কর্মশালার আয়োজনের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক দায়িত্ব পালন করছেন। সাংবাদিক সমিতি মৌলভীবাজার জেলা ইউনিটের একজন সফল সাধারণ সম্পাদক। মৌলভীবাজার জেলায় সামাজিক সেবার অঙ্গনে সাংবাদিক সমিতি বলিষ্ট ভুমিকা রাখছে।

আনহার আহমদ সমশাদ ২০০৮ সালে রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি-মৌলভীবাজার ইউনিট এবং মৌলভীবাজার পাবলিক লাইব্রেরী নির্বাচন প্রক্রিয়ার সাথে জড়িতদের অন্যতম।মৌলভীবাজার পাবলিক লাইব্রেরীর যুগ্ম সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত হয়ে ভবন নির্মাণসহ অভ্যান্তরীন উন্নয়নে ব্যাপক ভুমিকা রাখেন।

দ্বিধাভিভক্ত মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের একিভুত প্রক্রিয়ার অন্যতম সদস্য।ইলের্ক্টনিক্স মিডিয়া জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন (ইমজা) প্রতিষ্ঠাতা ও কোষাধক্ষ্য দায়িত্বে থেকে জেলার বড় মিডিয়া প্রতিষ্ঠান প্রেসক্লাব নের্তৃত্বকে এক ছাতারতলে নিয়ে আসতে বলিষ্ট ভুমিকা পালন করেন।এতে করে অনেক বন্ধু শত্রুতে রূপান্তরিত হয়। শত্রুও বন্ধু হয়ে কাছে আসে।সহকর্মীরা স্নেহের বন্ধনে কৃতার্থ করে (২০১৫-১৬) সালে প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করেন। তিনি নাঈমূল ইসলাম খান সম্পাদিত দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছেন। এবং বেঙ্গল টাইমস নিউজ ডটকম অনলাইন পোর্টলের সম্পাদক ও প্রকাশক।

আনহার আহমদ সমশাদ একজন ব্যবসায়ী হিসেবেও প্রতিষ্ঠিত। তিনি লন্ডন-বাংলা আবাসন লিমিটেড ও বকস্ এগ্রো ফিসারিজ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরচিালক।আগর শিল্প উন্নয়নে বাগান সৃজনে সরকারের সাথে কাজ করছেন। তিনি মৌলভীবাজারে দ্বিতীয় চা নিলাম কেন্দ্র স্থানান্তর আন্দোলনে প্রথম উদ্যোগতা।এছাড়া মৌলভীবাজার বিজনেস ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা নির্বাহী সদস্য।

আলাপচারিতায় বলেন, ঢাকাস্থ সিলেটবাসীর প্রাণের সংগঠণ “জালালাবাদ এসোসিয়েশন” দেশের অন্যতম ও অদ্বিতীয় সেতু বন্ধনে প্রতিষ্ঠিত। প্রতিষ্টালগ্ন থেকেই সংগঠনের সমৃদ্বির লক্ষ্যে ভবন প্রতিষ্ঠায় জমি দাতা ও আর্থিক পৃষ্টপোষকতায় দাতাদের দানে ভবনটি এখন বিশালাকার ধারণ করেছে।সাফল্যের সাক্ষর রেখেছেন অগ্রজ সকল নেতৃত্ব।

অতিথে সকল নের্তৃত্ব, সম্মানিত ও মর্য়াদায় সিক্ত হতে হলে সকল ভেদাভেদ ভুলে জালালাবাদের আধ্যাত্বিক মনোচিন্তায় নিজেদের মনোনিবেশ করতে হবে। বিশাল অট্টালিকায় মেরামতে ত্রুটি হলে প্রকৌশলী দায়ী হন।

জালালাবাদ এসোসিয়েশন নির্বাচনকে সামনে রেখে বারবার নিজেদের মধ্যে আস্থায়-অবিচল না থেকে চুর্ণ-বিচুর্ণ কংক্রীটে পরিণত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী সংগঠনের ঐক্য। কতিপয় স্বার্থানেসী স্থুলবুদ্ধি সম্পন্ন লোক আমাদের নেতৃত্বকে ভুল পরামর্শ দিয়ে কলোষিত করছে।

জালালাবাদবাসীকে সারাদেশের মানুষ আধ্যাত্বিক রাজধানীর উত্তরসূরী হিসেবে সম্মান-সমীহ করেন। এ মহা সম্মানের জায়গাটিও মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

আমরা আমাদের অগ্রজদের সকল সময় মর্যাদার উচ্চ আসনে দেখতে গর্ববোধ করি। আমাদের গর্বের জায়গা থেকে সৃজনশীল এবং মহানুভবাতা প্রত্যাশা করছি। আমাদের পরিচয় ্আমরা সিলেটী। আমরা জালালাবাদী। আমরা উদার, সহজ-সরল, নিস্বার্থ, নিখাদ ভালবাসা বিলিয়ে দিতে পারি।

আরোও পড়ুন

মাসুদা ভাট্টিকে ধুয়ে দিলেন তসলিমা নাসরীন
মুক্তিপণের জন্য বলি হলো তিন বছরের জুঁই।
পুলিশ কর্মকর্তার স্ত্রীর সাথে গৃহশিক্ষকের প্রেম!

Share Button